শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১০:২৬ অপরাহ্ন

নোটিশ :
আপনাকে স্বাগতম । সিলেটসহ সারাদেশের প্রতিটি জেলা ও উপজেলায় প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। আগ্রহীরা আমাদের পত্রিকার ইমেইলে অথবা সরাসরি যোগাযোগ করতে পারেন।
সংবাদ শিরোনাম :
বিশ্বনাথে সাংবাদিক জুবায়েরের পিতৃবিয়োগ, বিভিন্ন মহলের শোক সুশান্তের টাকায় আমোদ-প্রমোদ করত রিয়ার পরিবার বিতর্কিতদের কমিটিতে নয়: কাদের গোলাপগঞ্জে ইউপি উপ-নির্বাচনে নৌকার প্রার্থী মাহমুদ লক্ষিপাশা ইউপি উপ-নির্বাচন : ধানের শীষের প্রার্থী আফজাল হোসেন সিলেটে ‘বঞ্চিত’ আওয়ামী লীগের প্রতিবাদ মিছিল আল্লামা আহমদ শফি চিরনিদ্রায় শায়িত, জানাজায় জনসমুদ্র বাসরঘরে কিশোরী নববধূর লাশ সিলেটে পাথর ও বালি খেকোদের তাণ্ডব সিনিয়র সহ সভাপতি’র লড়াইয়ে শফিক চৌধুরী নড়বড়ে রাতারগুলের ‘ওয়াচ টাওয়ার’! একদিনে সিলেটে সুস্থ আরও ৪২ জন, আক্রান্ত ৪৯ বাংলাদেশ আইপি টিভি ফোরামের আত্মপ্রকাশ গ্রিসে নিহত মমিন ও শাহীনের লাশ চান স্বজনরা আল্লামা শফীর মরদেহ হাটহাজারীতে, জানাজার পর দুপুরে দাফন অস্থির সিলেটের নিত্যপণ্যের বাজার জাতীয় নেতা ইলিয়াস আলীর সন্ধান কামনায় বিশ্বনাথে দোয়া মাহফিল ডাঃ হাবিবুব রহমান আফরোজ আলীর দাফন সম্পন্ন, বিভিন্ন মহলের শোক বৈরাগী বাজার-সিংঙ্গেরকাছ বাজার রাস্তা সংস্কারের দাবীতে এলাকাবাসীর মানববন্ধন ব্রিটিশ বাংলাদেশি ছাত্রের কৃতিত্ব আল্লামা আহমদ শফী আর নেই  প্রজন্ম স্পোর্টস এন্ড কালচারাল ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশনের বৃক্ষরোপন কমর্সূচির উদ্ভোধন সাউথ সুরমা ন্যাশনালিষ্ট ফোরামের ৩য় পর্যায়ে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ ‘ট্যুরিজম ডেভেলপার এসোসিয়েশন অব সিলেট’র কমিটি গঠন সিলেটের সেই চেক জালিয়াতির মামলা খারিজ আপিল বিভাগে
শেখ হাসিনার জনসভায় গুলি: পাঁচ পুলিশের মৃত্যুদণ্ড

শেখ হাসিনার জনসভায় গুলি: পাঁচ পুলিশের মৃত্যুদণ্ড

ডেস্ক: স্বৈরাচার এরশাদবিরোধী আন্দোলনে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে চট্টগ্রামে প্রাণনাশের চেষ্টার ঘটনায় দায়ের করা ‘চট্টগ্রাম গণহত্যা’ মামলার রায়ে তৎকালীন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ, সিএমপিতে চাকরিরত ৫ পুলিশকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।

সোমবার (২০ জানুয়ারি) বিভাগীয় বিশেষ জজের অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা চট্টগ্রামের জেলা ও দায়রা জজ ইসমাইল হোসেন চাঞ্চল্যকর এ মামলার এ রায় ঘোষণ করেন। দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- কোতোয়ালি থানার তৎকালীন পেট্রল ইন্সপেক্টর গোবিন্দ চন্দ্র মন্ডল বা জে সি মন্ডল (মামলার বিচার শুরুর পর থেকেই পলাতক), সাবেক পুলিশ কনস্টেবল মোস্তাফিজুর রহমান, প্রদীপ বড়ুয়া, মো. আব্দুলাহ এবং মমতাজ উদ্দিন।

রোববার (১৯ জানুয়ারি) রাষ্ট্রপক্ষ আদালতে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে সোমবার আসামিপক্ষের যুক্তি উপস্থাপন করার কথা ছিল। কিন্তু আসামিপক্ষ যুক্তি উপস্থাপনে অসম্মতি জানালে আদালত তাৎক্ষণিকভাবে রায়ের সময় নির্ধারণ করে এই রায় ঘোষণা করেন।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। এছাড়া প্রত্যেকের আরো দশ বছর করে কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। চট্টগ্রাম বিভাগীয় স্পেশাল জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট মেজবাহ উদ্দিন চৌধুরী জানান, ১৯৮৮ সালের ২৪ জানুয়ারি লালদিঘি ময়দানে আওয়ামী লীগের সমাবেশে গুলি চালিয়ে ২৪ জনকে হত্যা ও আওয়ামী লীগের সভানেত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যা চেষ্টার ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়। সেই মামলায় ৫ আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়েছে। তিনি বলেন, আসামিদের বিরুদ্ধে পৃথক চারটি ধারায় অভিযোগ গঠন করা হয়েছিল। এসব ধারায় বিভিন্ন মেয়াদে সাজা হয়েছে আসামিদের। হত্যার সঙ্গে সরাসরি জড়িত থাকায় ৫ আসামিকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।

৩২ বছর আগে ১৯৮৮ সালের ২৪ জানুয়ারি নগরীর লালদিঘী ময়দানে সমাবেশে যাবার পথে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার গাড়িবহরে পুলিশ এলোপাতাড়ি গুলি চালালে নিহত হন ২৪ জন। আহত হন কমপক্ষে দু’শতাধিক মানুষ। ঘটনাটি ‘চট্টগ্রাম গণহত্যা’ হিসেবে পরিচিতি পায়।

নির্মম সেই হত্যাকাণ্ডে নিহতরা হলেন- হাসান মুরাদ, মহিউদ্দিন শামীম. স্বপন কুমার বিশ্বাস, এথলেবারট গোমেজ কিশোর, স্বপন চৌধুরী, অজিত সরকার, রমেশ বৈদ্য, বদরুল আলম, ডিকে চৌধুরী, সাজ্জাদ হোসেন, আব্দুল মান্নান, সবুজ হোসেন, কামাল হোসেন, বিকে দাশ, পঙ্কজ বৈদ্য, বাহার উদ্দিন, চান্দ মিয়া, মসর দত্ত, হাশেম মিয়া, মো. কাশেম, পলাশ দত্ত, আব্দুল কুদ্দুস, গোবিন্দ দাশ, মো. শাহাদাত।

এরশাদ সরকারের পতনের পর ১৯৯২ সালের ৫ মার্চ ক্ষতিগ্রস্তদের পক্ষ থেকে আইনজীবী শহীদুল হুদা ( বর্তমানে প্রয়াত) বাদী হয়ে চট্টগ্রাম মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে মামলা করেন। মামলায় হত্যাকাণ্ডের সময় (সিএমপি) কমিশনারের দায়িত্বে থাকা মীর্জা রকিবুল হুদাকে প্রধান আসামি করা হয়। এতে রকিবুল হুদাকে ‘হত্যার নির্দেশদাতা’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়।

এরপর ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এলে বহুল আলোচিত মামলাটি পুনরুজ্জীবিত হয়। আদালতের নির্দেশে সিআইডি দীর্ঘ তদন্তশেষে প্রথম দফায় ১৯৯৭ সালের ১২ জানুয়ারি সিএমপির তৎকালীন কমিশনার মীর্জা রকিবুল হুদাকে এবং পরবর্তীতে ১৯৯৮ সালের ৩ নভেম্বর দ্বিতীয় দফায় অধিকতর তদন্তের মাধ্যমে মীর্জা রকিবুল হুদাসহ ৮ পুলিশ সদস্যকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করে।

অভিযুক্ত অন্যরা হলেন কোতোয়ালি জোনের তৎকালীন পেট্রল ইন্সপেক্টর (পিআই) জে সি মণ্ডল, পুলিশ কনস্টেবল আব্দুস সালাম, মোস্তাফিজুর রহমান, প্রদীপ বড়ুয়া, বশির উদ্দিন, মো. আব্দুলাহ এবং মমতাজ উদ্দিন। আসামিদের মধ্যে রকিবুল হুদা, বশির উদ্দিন ও আব্দুস সালাম মারা গেছেন। জে সি মণ্ডল পলাতক আর বাকি চারজন আদালতে নিয়মিত হাজিরা দিয়ে আসছিলেন।

আদালতে দুই দফায় আলোচিত এ মামলার চার্জ গঠন (দ্বিতীয় দফায় সংশোধিত আকারে) করা হয়। প্রথম দফায় ১৯৯৭ সালের ৫ আগস্ট এবং দ্বিতীয় দফায় ২০০০ সালের ৯ মে ৮ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়। ১৯৯৭ সালের ২২ অক্টোবর থেকে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। মামলার মোট সাক্ষী ১৬৭ জন। এরমধ্যে গত ১৪ জানুয়ারি ৫৩ জনের সাক্ষ্যগ্রহণের মধ্য দিয়ে সাক্ষ্য কার্যক্রম শেষ হয়। ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী আওয়ামী লীগ নেতা গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য ড. অনুপম সেন, সাংবাদিক অঞ্জন কুমার সেন ও হেলাল উদ্দিন চৌধুরীসহ বেশ কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষী মামলায় সাক্ষ্য দেন।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন
  •  

Please Share This Post in Your Social Media

Comments are closed.

Calendar

September 2020
S S M T W T F
 12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
2728293031  



© All rights reserved © 2017 sylhet71news.com
Design BY Sylhet Hosting
sylhet71newsbd
WP2Social Auto Publish Powered By : XYZScripts.com